অনেকে ওয়েবসাইট বানাতে এসে প্রথমে ডিজাইন নিয়ে ভাবেন। কিন্তু কাজ দ্রুত আর ঝামেলাহীন করতে হলে ডিজাইনের আগে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখা দরকার। নিচের ছয়টি বিষয় ঠিক থাকলে সাইট তৈরিতে সময় কম লাগে, খরচও আগে থেকে পরিষ্কার থাকে।
১. কতগুলো প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন
প্রোডাক্ট সংখ্যা থেকেই বোঝা যায় কোন প্ল্যান আপনার জন্য। অল্প কয়েকটি প্রোডাক্ট দিয়ে শুরু করলে ছোট প্ল্যানই যথেষ্ট, পরে প্রয়োজন হলে আপগ্রেড করা যায়। আগামী ছয় মাসে কতগুলো প্রোডাক্ট যোগ করবেন, সেটাও মাথায় রাখুন।
- ৫টি পর্যন্ত প্রোডাক্ট: স্টার্টার প্ল্যান
- ২০টি পর্যন্ত: স্ট্যান্ডার্ড প্ল্যান
- এর বেশি বা নিয়মিত নতুন প্রোডাক্ট: গ্রোথ প্ল্যান (আনলিমিটেড)
২. ডোমেইন নাম
ডোমেইন হলো আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা। ছোট, উচ্চারণে সহজ আর ব্র্যান্ডের নামের সাথে মিল রেখে বাছুন। হাইফেন বা সংখ্যা এড়িয়ে চলুন, কারণ মুখে বলার সময় কাস্টমার ভুল করে।
বাংলাদেশি কাস্টমারের জন্য .com.bd বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়, আর .com সবার কাছে পরিচিত। দুটোর যেকোনোটি দিয়েই শুরু করা যায়।
৩. পেমেন্ট ও ডেলিভারি
কাস্টমার কীভাবে টাকা দেবে আর পণ্য কীভাবে পৌঁছাবে, এটা আগে ঠিক করুন। ক্যাশ অন ডেলিভারি রাখবেন কি না, ঢাকার ভেতরে ও বাইরে ডেলিভারি চার্জ কত, কোন কুরিয়ার ব্যবহার করবেন। এই তথ্যগুলো চেকআউট পেজে পরিষ্কার থাকলে অর্ডার বাতিলের হার কমে।
৪. প্রোডাক্টের ছবি ও বর্ণনা
ওয়েবসাইটে কাস্টমার পণ্য হাতে ধরে দেখতে পারে না, তাই ছবি আর বর্ণনাই ভরসা। প্রতিটি প্রোডাক্টের জন্য পরিষ্কার আলোতে তোলা কয়েকটি ছবি, সাইজ বা মাপ, দাম আর ছোট একটি বর্ণনা তৈরি রাখুন।
টিপস
কাজ শুরুর আগে সব প্রোডাক্টের ছবি ও তথ্য একটি ফোল্ডারে গুছিয়ে দিলে ওয়েবসাইট অনেক দ্রুত লাইভ করা যায়।
৫. হোস্টিং
হোস্টিং হলো যেখানে আপনার ওয়েবসাইট রাখা থাকে। কাস্টমার বাংলাদেশে হলে BDIX হোস্টিং নিলে সাইট দ্রুত লোড হয়। আমাদের সব ওয়েবসাইট প্ল্যানে BDIX ফাস্ট হোস্টিং অন্তর্ভুক্ত থাকে।
৬. পরবর্তী খরচ
ওয়েবসাইট একবার বানালেই শেষ নয়। হোস্টিং, ডোমেইন আর প্রিমিয়াম প্লাগইনের মেয়াদ শেষে রিনিউ করতে হয়। শুরুতেই বছরে মোট কত খরচ হবে তা জেনে নিন, যাতে পরে হঠাৎ খরচে চমকে না যান। আমাদের প্রাইসিং পেজে প্রতিটি প্ল্যানের পরবর্তী খরচ আলাদা করে লেখা আছে।